করোনা ক্রাইসিসে জার্মানিতে কারা, কতো ইউরো করে আর্থিক সাহায্য পাবে তার বিস্তারিত বিবরন



করোনা ভাইরাসের ক্রাইসিসে জার্মানিতে কারা, কতো ইউরো করে আর্থিক সাহায্য পাবে তার বিস্তারিত বিবরন, যা সবার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আজকে থেকে জার্মান কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দকৃত ১৫৬ বিলিয়ন ইউরো ছাড় করা শুরু হয়েছে। এতে যারা, যেভাবে উপকার পাবেন তাহলো


১। ক্ষতিগ্রস্থ ভাড়াটিয়ারা। ভাড়াটিয়াদের ১লা এপ্রিল থেকে আগামী পরবর্তী তিন মাস ভাড়া না দিতে পারলে বাড়িওয়ালা ঘর ছাড়বার নোটিস দিতে পারবে না। করোনার অবস্থা বুঝে এই সময় আরও ৩ মাস বৃদ্ধি করা হবে (মানে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত)। এর জন্য, ক্ষতিগ্রস্থ ভাড়াটিয়াদের প্রমান করতে হবে, তারা করোনা মহামারীর কারনে ভাড়া দিতে পারছে না। এতে ভাড়ার টাকা বাকি এবং অপরিবর্তিত থাকবে (মানে ভাড়া মাফ হবে না)। বাড়ির মালিক এই বাকি থাকা সমপরিমান ভাড়ার টাকা, সিটি থেকে বিনা সুদে লোন হিসেবে পাবে। যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তখন ক্ষতিগ্রস্থ ভাড়াটিয়া কিস্তিতে বা একসাথে তাদের আগের বাকি থাকা ভাড়া পরিশোধ করলে, বাড়িওয়ালা তা দিয়ে সিটি থেকে লোন হিসেবে পাওয়া ইউরো ফেরত দিবে।

২। যারা এই ক্রাইসিসের মধ্যে Electricity, gas, water, telephone এবং internet এর বিল দিতে পারবে না, তাদের লাইন বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এই বিল বাকি থাকবে, যা ক্রাইসিস শেষে একসাথে বা কিস্তিতে কোম্পানিকে পরিশোধ করতে হবে।

৩। চাকরিজীবী। কোন কোম্পানি যদি কোন Empolyee এর জন্য short-time work (Kurzarbeit) কন্ট্রাক্ট ইস্যু করে আর এই ক্রাইসিসে তার চাকরী চলে যায়, তাহলে Agentur für Arbeit এই ক্রাইসিসে তার বেতনের ৬০ ভাগ আর সন্তান থাকলে বেতনের ৬৭ ভাগ পেমেন্ট করবে (তবে জব চলে যাবার সময়ে এটা Probezeit হলে চলবে না)। এখানে স্টুডেন্টের কথা কিছু লেখা নেই, তারমানে তারা আবেদন করতে পারবে। যাদের Vollzeit বা Teilzeit জব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (Kurzzeit ছাড়া) তারা Agentur für Arbeit এ Hartz IV ফর্মের অধীনে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য unemployment benefit এর জন্য আবেদন করতে পারবে (কোন স্টুডেন্ট এই আবেদন করতে পারবে না)।

৪। যাদের নিজস্ব ছোট ব্যবসা আছে (যেমন One-person businesses, musicians, photographers, Freelancers etc) অথবা ঐ সব কোম্পানি যাদের কর্মচারী সর্বোচ্চ ১০ জন, তারা সরাসরি Stadt এর কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য আবেদন করতে পারবে। তখন Stadt আগামী তিন মাস ৯০০০ ইউরো থেকে ১৫০০০ ইউরো পর্যন্ত সাহায্য করবে (কোম্পানির সাইজের উপরে নির্ভর করবে)।

৫। পিতা-মাতারা তাদের সন্তানের জন্য সর্বোচ্চ ১৮৫ ইউরো সরকার থেকে ভাতা পাবে (তারা ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট হলে পাবে না) । তাছাড়াও যদি বাচ্চার বয়স ১২ বছরের নিচে হয়, তাহলে স্কুল বা নার্সারি বন্ধ থাকার সময়ে আগামী ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত, অতিরিক্তভাবে সরকার পিতামাতার বেতনের ৬৭ ভাগ পর্যন্ত পে করবে, যা সর্বোচ্চ ২০১৬ ইউরো হবে।


আমার ছবির সূত্র Capri23auto / pixabay.de এবং লেখার সূত্র

১। https://cutt.ly/htTOENA

২। https://cutt.ly/RtTOT9m


ঝামেলা ছাড়া আমার লেখা আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করতে চাইলে এই লিঙ্ক থেকে করতে পারেন https://cutt.ly/0tTOMjU


লেখক Nur Mohammad

এই লেখা পড়ার পরে কোন প্রশ্ন থাকলে বা মতামত দিতে চাইলে অথবা কাউকে ট্যাগ করতে চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ থেকে করতে পারেন

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।