জীবনযাত্রার খরচে জার্মানি-২ দামী যেগুলো!


জার্মানির জীবনযাত্রার খরচে নিয়ে এই সিরিজের প্রথম পর্বে আলোচনা করেছি যেগুলো তুলনা মূলক কম খরচে পাওয়া যায়। আমারা পেয়েছি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিশেষ করে দুধ, ডিম, পেঁয়াজ, আলু, তেল, দুগ্ধপণ্য, লবণ, চিনি, আটা, ময়দা, কসমেটিক, ফল-ফলাদি ইত্যাদির দাম বাংলাদেশ থেকে সস্তা। এই পর্বে আসুন দেখে নেওয়া যাক মুদ্রার ওপিঠ, মানে যেগুলো দাম বেশি। আয় ও খরচের তুলনা করলে আসলে খুব বেশি নয়।

চাল: ধান উৎপাদন জার্মানিতে না হওয়াতে চালের বাজার সম্পূর্ণ আমদানির উপর নির্ভর করে। মোটা চালের কেজি সাধারণত ৮৫ সেন্ট বা ৮৫ টাকা। বাসমতী চাল বা চিকুন চাল ১ ইউরো ৯০ সেন্ট এর মত যা বাংলাদেশের প্রায় ২০০ টাকা কেজি!


সবজি: জার্মানিতে সাধারণত আমাদের মত সবজির প্রাচুর্য নেই। নিদিষ্ট কিছু প্রকারের সবজি জার্মানিতে হয়ে থাকে বাকিগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। নিজেরা উৎপাদন করলেও সাধারণত প্রতিকুল পরিবেশের কারনে গ্রিনহাউজে উৎপাদন করতে হয় যাতে খরচ একটু বেশি হয়। ব্রুকলি, লেটুস, বেগুণ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মিষ্টিকুমড়া, শালগম, টমেটো, মাশরুম ইত্যাদি সবজি জার্মানিতে সাধারণত পাওয়া যায়। উল্লেখিত সবজিগুলোর দাম সাধারণত বাংলাদেশী টাকায় ২০০ টাকার আশেপাশে কেজি হয়ে থাকে মৌসুম ভেদে।

মাছ: মাছের দাম জার্মানিতে একটু বেশি বিশেষ করে তাজা মাছের। জার্মানিতে পরিচিত মাছের মধ্যে হল সালমন, টুনা, কড, কেটপিশ, ব্রীম মাছ, ম্যাকরল, হেরিং, পিকেপেরছ, পার্চ, ইত্যাদি সামদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। এই ধরনের তাজা মাছে ৫ থেকে ১০ ইউরো কেজি হয়ে থাকে যা বাংলাদেশী টাকায় ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা। জার্মানিতে বাংলাদেশী ও এশিয়ান দোকানগুলোতে আমাদের দেশী মাছের বিশাল সম্ভার মিলে। দামও তুলনা মূলক হাতের নাগালে।

**ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহীত

**পণ্যের মান, ব্রান্ড, বাজার ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে।

**ইউরো বিনিময় মূল্য ১০০ টাকা হিসাবে দাম দেওয়া হয়েছে।

© লেখার সত্ত্ব লেখক Iqbal Tuhin এর। যা যে কোনো জায়গাতে বিনা অনুমতিতে শেয়ার করা যাবে না।


Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।