জার্মান এম্বাসী থেকে ডকুমেন্ট এ্যাটেষ্টেশন


লিখেছেন মুহাম্মদ নাঈম

জার্মানি যাওয়ার প্রথম ধাপ হলো কাগজপত্র গুছানো তারপর সেগুলা এ্যাটেষ্টেশন বা নোটারী করা।আজকে এম্বাসী থেকে আমার আপুর ডকুমেন্ট এ্যাটেষ্টেশন নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো।

প্রথমে আপনাকে এম্বাসীর ওয়েবসাইট থেকে একটা পিডিএফ ফরম নামাতে হবে।তারপর সেটা ওয়ার্ড ফাইলে নিয়ে এডিট করবেন।সেখানে নাম,পাসপোর্ট নাম্বার আর কোন ইউনিভার্সিটির কোন কোর্সে এপ্লাই করছেন সেটা পূরন করবেন।তারপর আপনি যে সাবজেক্টে এপ্লাই করবেন সে পেজ লিংক কপি করে পিডিএফের ওয়েবসাইটের কলামে বসাবেন।তারপর পিডিএফ টা প্রিন্ট দিবেন।ও হ্যাঁ যে সাবজেক্টগুলোয় এপ্লাই করতেছেন সেটার রিকোয়ারমেন্ট এর পেজটাও প্রিন্টআউট দিবেন,সাথে পাসপোর্ট এর ফটোকপি ও লাগবে।৫ টা ইউনির জন্য ৫ টা রিকোয়ারমেন্টের কপি প্রিন্ট দিতে হবে।

তারপর আপনার একাডেমিক সব ডকুমেন্ট যা আপনি সত্যায়িত করতে চান সেগুলা সিরিয়াল করে সাজাবেন।দ্যান যত সেট এ্যাটাষ্টেড করাতে চান ততগুলো ফটোকপি করে অরজিনাল এর সিরিয়াল অনুযায়ী সাজাবেন।তারপর প্রতিটা সেট জেমস ক্লিপ দিয়ে আটকায়ে বড় একটা খামে অরজিনালগুলো সহ চলে যান এম্বাসীতে,পাসপোর্ট নিতে ভুলবেন না কিন্তু।তারপর এম্বাসীর গেটে গিয়ে বললেই চলবে তারা আপনার ডকুমেন্ট রেখে একটা ছোট টোকেন দিবে।এ্যাটেষ্টেশন হয়ে গেলে তারা আপনার সাথে ফোনে কন্টাক্ট করে জানাবে,গিয়ে নিয়ে আসবেন।রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯-১২ টা এবং দুপুর ১-৪ টা যেকোনো ডকুমেন্ট জমা নেওয়া হয়। সর্বোচ্চ ৫ সেট এ্যাটাষ্টেড করানো যায়। একবার এম্ব্যাসীতে ডকুমেন্ট দিলে ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগে তা ফেরত পেতে


যা যা এ্যাটাষ্টেড করানো উচিত,

১) এসএসসি সার্টিফিকেট+ ট্রান্সক্রিপ্ট

২) এইচএসসি সার্টিফিকেট+ ট্রান্সক্রিপ্ট

৩) অনার্স সার্টিফিকেট+ ট্রান্সক্রিপ্ট

৪) মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন (MOI)

৫) আইইএলটিস


(এ্যাটাষ্টেড ফাইল থেকে কাগজ বের করা বা ঢুকানো যাবেনা তাই প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট একবারেই জমা দেওয়া ভালো)


এই লেখা পড়ার পরে কোন প্রশ্ন থাকলে বা মতামত দিতে চাইলে অথবা কাউকে ট্যাগ করতে চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ থেকে করতে পারেন

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।