জার্মানিতে ধাপে ধাপে ইউনিতে Application থেকে ভিসা। এ টু জেড প্রিপারেশন


ইতিমধ্যে পরবর্তি উইন্টার সেমিস্টারের এপ্লিকেশন শুরু হয়ে গেছে পহেলা মার্চ থেকে! আর কিছু শুরু হবে পহেলা এপ্রিল থেকে বার এর কিছু পরে, যেগুলোর (এপ্লিকেশন ভেদে) ডেড লাইন শেষ হবে ১৫ জুলাই! গত বছর ঠিক এই সময় আমিও এপ্লিকেশন করেছিলাম। যদিও এপ্লিকেশন থেকে শুরু করে অন্য জার্মানি আসা পর্যন্ত আমি কোন ঝামেলাই পোহাতে হায় নাই, অযথা টেনশন করা ছাড়া। জার্মানি আসার রাস্তা টা বেশ জটিল মনে হলেও, স্টেপ বাই স্টেপ সব কিছু ফলো করলে খুব সহজেই জার্মানিতে আসা সম্ভব! আমি এই পোস্টে আমার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকেই স্টেপ গুলো বর্ণ্না দেওয়ার চেষ্টা করবো। আসা করি এটা আপনাদের উপকারে আসবে। এই পোস্ট সম্পুর্ন আমার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে, তাই কোন তথ্য ল্যাকিংস থাকলে, অথবা যোগ করার প্রয়োজন থাকলে আমাকে জানাবেন! আর সব শেষে আমি কিছু উনিভার্সিটির (সোশাল সাইন্স) নাম ম্যানশন করবো, যেখানে মোটামুটি মানের সিজিএ (CGPA) দিয়ে এপ্লাই করলেও চান্স পাবার সম্ভাবনা থাকে। তাইলে চলুন কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসা যাক।


১। প্রথমেই আপনি যে কাজ টা করবেন সেটা হচ্ছে ইউনিভার্সিটি/সাবজেক্ট খুজে বের করা। এর জন্য আপনি ডাড (DAAD) ওয়েব সাইট দেখতে পারেন। আমি নিজের ক্ষেত্রে এই ওয়েব সাইট বাদেও নিজ উদ্দগ্যে জার্মানির সব উনিভার্সিটির ওয়েব সাইটে ঢুকেছিলাম। উনিভার্সিটি গুলোর লিস্ট পাবেন এই গ্রুপের ফাইল সেকশনে।

২। ইউনিভার্সিটি আর সাবজেক্ট সিলেক্ট করার পরে তাদের ওয়েব সাইটে দেওয়া রিকুয়ার্মেন্ট গুলো খুব ভালো করে দেখে নিবেন। এর পাশাপাশি কবে এপ্লিকেশন শুরু আর শেষ হচ্ছে, এপ্লিকেশন ইউনি-এসিস্ট (Uni-assist) নাহ উনিভার্সিটি পোর্টালের মধ্যমে সেগুলো খাতায় নোট আকারে লিখে রাখুন যা পরর্বতিতে আপনার কাজ গুলো সহজ হতে সাহায্য করবে।


৩। সাবজেক্টের রিকুয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপনি আইইএলটিএস (IELTS) দিবেন। শুধু উনিভার্সিটির রিকুয়ার্মেন্ট পূরণ করতে পারলেই হলো। যদি ওভার অল ৫.৫ চাই তো ৫.৫ ই এনাফ চান্স পাবার জন্য! সেটা যদি আপনি কোন সেকশনে আপনি ৫.৫ এর নিচে পান তাতেও সমস্যা নাই। আর যদি উনিভার্সিটি মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন একসেপ্ট করে, তাইলে তো কথায় নাই। ওইটা দিয়েই এপ্লিকেশন করে দিন। আমি নিজেও মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন দিয়ে এপ্লিকেশন করে চান্স পাইছি জার্মানির নাম করা এক উনিভার্সিটিতে, আমার আইইএলটিএস (IELTS) স্কোর থাকার পরেও। তবে যেনে রাখা ভালো, এম্বাসির কিন্তু ল্যাঙ্গুয়েজ রিকুয়ারমেন্ট থাকে (মিনিমাম ৫.৫)।


৪। মোটিভেশন/রিকমেন্ডেশন লেটার দুইটা আলাদা জিনিশ। মোটিভেশন লেটার আপনি নিজের সম্পর্কে লিখবেন(যদি উনিভারসসিটি চেয়ে থাকে)। অনেক সময় উনিভার্সিটি কিছু প্রশ্ন ও ওয়ার্ড লিমিট ম্যানশন করে দেয়, যার আলোকে আপনি সেটা লিখবেন। ওয়ার্ড লিমিট দেওয়া থাকলে সেটা ক্রস না করায় বাঞ্ছনিয়। আর যদি নাহ দেওয়া থাকে তবে আপনি ১.২/২ পাতা লিখতে পারেন (১০০০ ওয়ার্ড)। রিকমেন্ডেশন (যদি উনিভারসসিটি চেয়ে থাকে) লেটার নিবেন আপনি আপনার ভার্সিটির শিক্ষকের কাছে থেকে। এটা পেতে আপনাকে অনেক কাটখর পুড়াইতে হতে পারে! কারন টা আর নাই বলি কেন। আমি নিজের রিকমেন্ডেশন লেটার নিজে লিখে স্যারদের থেকে সাইন করিয়ে নিয়েছিলাম (আমার টিচারদের যগ্যোতা নাই আমি বলছি নাহ কিন্তু মোটেও 😛 , তারা মাহাব্যস্থ মানুষ)! যদিও একজন টিচার আমাকে একটা লেটার নিজে লিখে দিয়েছিল। নিজে লিখলেও আমি নিজের সম্পর্কে অনেক বেশি তেলমর্ন্দন করে লিখি নাই, যেটুকু স্ট্যান্ডার্ড মিথ্যা বলা যায়, সেটুকুই লিখেছিলাম ( মিথ্যা কেন লিখবেন আপনি?)।


৫। আমি মোট ৭ টা ভার্সিটিতে ৭ টা ভিন্ন সাব্জেক্টে তে এপ্লিকেশন করেছিলাম। যার মধ্যে ৫ টা ছিল উনি- এসিস্টের মাধ্যমে আর দুইটা ডাইরেক্ট ভার্সিটি(কোন এপ্লিকেশন চার্জ ছিল নাহ)। উনি- এসিস্টের (Uni-assist) মাধ্যমে এপ্লিকেশন করতে হলে আপনাকে তাদের পোর্টালে একটা একাউন্ট খুলতে হবে প্রয়োজনিয় তথ্য দিয়ে(এক্ষেত্রে আপনার ইমেল/পাসওয়ার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এটা অন্য কারো সাথে শেয়ার নাহ করায় ভালো)। সেখানে কোর্স সার্চ/ভার্সিটি সিলেক্টের অপশান থেকে (এপ্লিকেশন পিরিয়ড শুরু হওয়া সাপেক্ষে) প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের স্ক্যান পিডিএফ (PDF) কপি দিয়ে এপ্লিকেশন করে ফেলুন। অনলাইন এপ্লিকেশন করার পরে একটা পিডিএফ (PDF) ফাইল জেনারেট হবে (পুর্বে সাইন/ডেট অফসান ছিল) সেখানে সাইন করে স্ক্যান করে আপলোড দিন (যদি দেওয়া লাগে তো)।


৬। সমস্ত রিকুয়ার্ড ডকুমেন্টস ( পাসপোর্টের তথ্য পেজ, সিভি, মোটিভেশন/রিকমেন্ডেশন, আই ই এল টি এস ছাড়া বাকি সব ) নোটারি করিয়ে ফেলুন। যেটা স্থান ভেদে ১২ থেকে ১৫ টাকা করে নিবে প্রতি পেজ নোটারি করতে।


৭। এপ্লিকেশন পেমেন্ট ফর্ম পুরন করে যার কার্ড তার সাইন নিয়ে নিন (যদি ক্রেডিট কার্ড আপনার নিজের নাহ হয়)। তবে নিজের নামে মাস্টার কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করায় ভালো। আমি ইবিএল একুয়া প্রিপেইড মাস্টার কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করেছিলাম খুব সহজেই। উনি এসিস্টে (Uni-assist) প্রথম এপ্লিকেশনের জন্য ৭৫ ইউরো, পরের গুলো প্রতিটার জন্য ৩০ ইউরো করে। এখানে একটা জিনিশ মাথায় রাখবেন আপনার কার্ডের যেন ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে ওপেন থাকে তা না হলে আপনার কার্ড থেকে তারা পেমেন্ট কেটে নিতে পারবে নাহ। ওপেন রাখার জন্য আপনি কাস্টোমার কেয়ারে ফোন দিয়ে বলে রাখলেই হলো। যদি আপনার পেমেন্ট ৭৫ ইউরো হয়, তাহলে সমপরিমাণ টাকা নিয়ে ইবিএল বার্ঞ্চে গিয়ে ইউএসডি (USD) অংশ পুরন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে দিন। আপনি চাইলে ৫/১০ ইউরো বেশি রাখতে পারেন আপনার কার্ডে নিদৃষ্ট ইউরোর চাইতে।


৮। এবার শেষ ধাপে এপ্লিকেশন ফর্ম (যে ফর্ম টা এপ্লিকেশন করার সময় জেনারেট হইয়েছিল), পেমেন্ট ফর্ম সহ বাকি সব ডকুমেন্টস একটা খামে ভরে উনি- এসিস্টের ঠিকানাতে পাঠিয়ে দিন। যদি একের বেশি এপ্লিকেশন করে থাকেন, তাহলে একাডেমিক ডকুমেন্ট এক সেটই যথেষ্ট উনি এসিস্টের জন্য। বাকি সব যেমন, মোটিভেশন লেটার, রিকমেন্ডেশন লেটার, প্রতিটার জন্য আলাদা এপ্লিকেশন ফর্ম আলাদা আলাদা যোগ করতে হবে।


৯। বাংলাদেশে ডিএইচএল বাদেও অনেক থার্ড পার্টি কুরিয়ার সার্ভিস আছে, যার ডিএইচএল মাধ্যেমে ডকুমেন্ট পাঠিয়ে থাকে। তাদের তুলনা মুলক খরচও কম। আমি ১৫০০(৫০০ গ্রাম) করে পাঠিয়ে ছিলাম। ১০। ডকুমেন্ট কুরিয়ার করে জার্মানি পৌঁছায়তে সাধারণত ৫/৬ দিন সময় লেগে থাকে। ডকুমেন্টস আর পেমেন্ট (এখন অনলাইনেই পেমেন্ট করার সুযোগ আছে) ইউনি-এসিস্ট হাতে (সহজ কথায় টাকা পে হলেই) পাওয়ার পরেই শুধু তাঁরা আপনার এপ্লিকেশন নিয়ে কাজ শুরু করবে। শুরুতে তাঁরা আপনাকে পেমেন্ট কেটে নেওয়ার ইমেল দিবে (এপ্লিকেশন স্ট্যাটাস পেইড দেখাবে তখন, অনেক সময় টাকা কাটার পরেও আনপেইড দেখাই, যেটা নিয়ে টেনশন করার দরকার নাই)।


১১। পেমেন্ট হবার পরে আপনাকে তাঁরা আপনার এপ্লিকেশন ইভালুয়েশন করে একটা রিপোর্ট পাঠাবে (১০/১৫ দিন লাগে সাধারন্ত) এবং আপনি আবেদনের যগ্য হলে আপনার এপ্লিকেশন ভার্সিটিতে ফরওয়ার্ড করবে। অনেক সময় এপ্লিকেশন তাঁরা পাঠানোর পরেও আপনার এপ্লিকেশন স্ট্যাটস “No processing yet” দেখাতে পারে। যেমন আমার এডমিশান হবার পরেও স্টাট্যাস দেখাচ্ছিল, এটা এখনো প্রসেসিং এ আছে। বোঝেন অবস্থ!!


১২। আর যদি আপনার কোন ডকুমেন্টস মিচিং থাকে, সেটাও আপনাকে ইমেল করে জানাবে। তবে অনেক সময় জমা দেওয়ার টাইম খুব অল্প হয়। তাই এপ্লিকেশন শুরুতেই করে ফেলা ভালো, যাতে ঝামেলা হলেও, সেটা এড়ানো যায়।


১৩। এপ্লিকেশন পিরিয়ড শেষ হবার পর থেকে মোটামুটি ১/১.৫ মাসের মাঝেই আপনি অফার লেটার পেয়ে যাবেন। (অফার লেটার পেলেই জোরে চিৎকার দিয়ে উঠুন, কারন এই শেষ সুযোগ চিৎকার চেঁচামেচি করার, কারন জার্মানি আসার পরে চিৎকার চেঁচামেচি করতে পারবেন নাহ, এরা প্রায় সময়ই ধিরে কথা বলতে পছন্দ করে)।


১৪। Attention আগের সিস্টেমে এখানে অনেক চেঞ্জ এসেছে। *** পূর্বে অফার লেটার পাবার পেরেই আপনি এম্বাসিতে ভিসা ইন্টার্ভিউ স্লট বুকিং দিয়ে দেন (এই কাজ টা আপনি অনেক আগেও করে রাখতে পারেন, আই মিন আগাম এপোয়েনমেন্ট)। আমি ইউনি-এসিস্টে ডকুমেন্ট সেন্ড করেই, ভিসা স্লট বুকিং দিয়ে রেখেছিলাম। যেটা আমাকে অনেকের মতো ডেট পেতে হা-হুতাশ করতে হয় নাই)) আগে এইভাবে এপয়েনমেন্ট নেওয়া যেত। এখন নতুন কিছু রুলস এড করেছে যা এম্বাসির ওয়েবপেজ এ পাবেন।


১৫। এই সময় টা খুব গুরুত্বপুর্ন! মাথা ঠান্ডা রাখুন! অনেক কাজ করতে হবে আপনাকে।

১৫.১। প্রথমেই এম্বাসির চেকলিস্ট দেখে ডকুমেন্ট দুই সেট রেডি করুন (ফটোকপি/প্রিন্ট)।

১৫.২। ট্রাভেল ইন্সুরেন্স করে ফেলুন গ্রীন ডেলটা দেখে (আমি একুশ দিনের করেছিলাম অল্প টাকায়, তবে ৭ দিনের হলেও চলবে)

১৫.৩। বায়োমেট্রিক ছবি তুলে ফেলুন। গুলশান ২ গোল চত্ত্রে অনেক গুলো স্টুডিও পাবেন (চার কপি ২০০ টাকা, আপনি যেহেতু জার্মানি আসবেন, কয়েক কপি বেশি নিয়ে রাইখেন, তাহলে এখানে এসে ছবি দরকার পারলে আপনাকে ৬ ইউর খরচ করতে হবে নাহ)।

১৬। “ব্লক একাউন্ট, কি নাহ কি রে বাবা, খাই নাহ মাথায় দেই” এই টাইপ ধারণা আমার ছিল এডমিশান পাবার পরেও। ট্রাস্ট মি এটা অনেক ইজিতে করা যায় ফিনটিবাতে(খরচও কম)। ১/২ দিন লাগে সর্বচ। আর টাকা নিয়ে টেনশন নাই, তার প্রায় পুরো টাকা টাই ফেরত দিবে আপনাকে, আপনি ভিসা পান আর নাহ পান। (এই যেমন ফিনটিবা প্রতিমাসে আমার একাউন্টে 800+ ইউরো করে পাঠায়। আমি সবটায় ফেরত পেয়ে গেছি)।

১৬.১। একাউন্ট খোলাও অনেক সহজ। জাস্ট আপনার ছবি ইউথ পাসপোর্ট (সেলফি টাইপ, তবে মুখ বেঁকা করে নাহ কিন্তু মোটেও 😛 ) দিয়েই একাউন্ট খুলতে পারবেন জাস্ট ইন্সট্রাকশন ফলো করে।


১৭। ব্লক একাউন্ট খোলা হইয়ে গেলে, ফিন্টিবা মোটামুটি ৭ কর্মদিবসের ক্তহা বললেও, ১/২ দিনের মাঝেই একাউন্ট কনফার্মেশন ইমেল দেয়। আপনি ইমেল পাবার পরেও কতো টাকা পাঠাতে হবে সেটাও আপনাকে ইমেল করে জানাবে (পিডিএফ)।


১৮। টাকা পাঠাবেন কোথায় থেকে? অনেক অফশান আছে। আমি ইবিএল বনানি শাখা থেকে পাঠিয়ে ছিলাম। আমাকে ভার্সিটির এনরোলমেন্ট ফিও আগাম দিয়ে দিতে হইয়েছিল। আপনার ক্ষেত্রেও যদি এমন হয় তবে, আপনি দুইটাই এখান থেকে পাঠাতে পারবেন। আপনি তাদের ওয়েব সাইটে রিকুয়ারমেন্টস গুলো দেখে ডকুমেন্টস নিয়ে হাজির হন (দরকার কি দেখার, সব ডকুমেন্টস সাথে নিয়ে যান নিজের ছবি সহ) ১৮.১। আফার লেটার ১৮.২। সব একাডেমিক ডকুমেন্টস ১৮.৩। ছবি ১৮.৪। ফিনটিবা একাউন্ট কনফারমেশ্ন, আর টাকার এমাউন্ট কনফারমেশন ১৮.৫। এর পরেও যদি কোন ডকুমেন্সট চাইলে আমার কথা বলবেন (:P)


১৯। আপনি চাইলে নিজের একাউন্ট থেকে টাকা পাঠায়তে পারবেন, বা অন্য যে কারো (ফ্যামিলির)। তবে মনে রাখবেন, আপনি উনি-এসিস্টে পেমেন্ট করার জন্য যে একুয়া প্রিপেইড কার্ড করেছেন একটা কিন্তু কোন একাউন্ট নাহ। টাকা পাঠানোর পরে ব্যাংক (ইবিএল) থেকে ১ দিন আর ফিন্টিবা থেকে ১/২ দিন লাগবে (বেশি লাগলে ভেবে বসে থাকার কোন কারণ নাই যে আপনার টাকা তাঁরা মেরে দিবে)।


২০। টাকা পাঠানো কনফারমেশন পেয়ে গেলে, এম্বাসির সমস্ত ডকুমেন্টস সহ নির্দিষ্ট ডেটে ভাইভা দিয়ে আসুন। ভাইবা খুব ইজি, এটা নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নাই। আমার কাছে কিছু কোশেনিয়ার টাইপ আছে, পোস্টের নিচে পরে এড করে দিবো, কমন পেয়ে যাবেন ৮০% 😛 (আমার এই কথায় ভরশা করে যাবেন নাহ প্লীজ)

লিখেছেন জয়িতা সাহা নূপুর


এই লেখা পড়ার পরে কোন প্রশ্ন থাকলে বা মতামত দিতে চাইলে অথবা কাউকে ট্যাগ করতে চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপে থাকা এই পোস্টে করতে পারেন। দ্বিতীয় পর্বের জন্য আপনার কমেন্ট এই লিঙ্কের মাধ্যমে দিতে পারেন

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।