দ্বিতীয় বছরেও ব্লকড একাউন্টঃ টেনশন!

লিখছেনঃ কফিল মাহমুদ


জার্মানিতে পড়তে আসার মূল বাঁধা হচ্ছে ব্লক একাউন্ট। দেশ থেকে প্রথমবার অনেক সংগ্রামের পর ব্লক মানি ম্যানেজ করার পর সবার মনেই সঙ্কা থেকে যায় তাহলে রেসিডেন্স পার্মিট এক্সটেনশনের সময় দ্বিতীয় বছরে আমার কী হবে! আবার টাকা কোথায় পাবো!


আসুন, সমাধানে আসা যাক!

অনেকেই প্রশ্ন করেন দ্বিতীয় বছর রেসিডেন্স পার্মিট এক্সটেনশনের সময় টাকা ব্লক করা লাগে কি না!

এর উত্তর হচ্ছে


"না" ( এটা হচ্ছে বেশিরভাগ সিটির ক্ষেত্রে। যে শহরে যাবেন সে শহরের পলসি আগে থেকে জেনে গ্রুপে পোস্ট দিয়ে অথবা সংশ্লিষ্ট শহরের কাউকে জিজ্ঞেস করার মাধ্যমে। ব্লক করা লাগে এমন শহর এভয়েড করা ভাল )


শুধু ব্যাংকে ১০-১২ হাজার ইউরো রাখবেন সপ্তাহ খানেকের জন্য। অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়ে ভিসা অফিসারকে দেখাবেন, হয়ে যাবে।


এখন আসি এই টাকা আসবে কোত্থেকে।


১) দেশ থেকে যেই টাকা ব্যাংকে রেখে আসবেন, এর বেশিরভাগ টাকাই খরচ হবেনা যদি আসার ৩-৪ মাসের মধ্যে পার্টটাইম জব পেয়ে যান। জেনে রাখা ভালো, মোটামুটি সবাই এই সময়ের মধ্যে পার্টটাইম জব পেয়ে যায়। শহর যদি ছোট হয়, ১-২ ঘন্টার দূরত্বে নিশ্চয় বড় শহর পাবেন, সেখানে গিয়ে জব করতে পারবেন। আমরা সবাই এটাই করি। এখান থেকে ব্লকের কিছু টাকা সেইভ হবে।


২) ভিসা অফিসারকে আপনার পার্টটাইম জব কন্ট্রাক্ট দেখাবেন। কিছুকিছু অফিসার এই জব কন্ট্রাকের উপর ভিত্তি করেই রেসিডেন্স পার্মিট দিয়ে দেয়। তবে, বেশিদিন একসাথে পার্মিট পেতে চাইলে জব কন্ট্রাক্টের সাথে উল্যেখিত পরিমাণে টাকা দেখানো ভাল।


৩) জার্মানির প্রায় সকল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ইউজ করে। ক্রেডিট থেকেও সুবিধা নিতে পারেন।


৪) বার্লিন থেকে যারা অফার লেটার পাইছেন তারা এখানে এসে যখন আরপি এক্সটেন্ড করবেন তখন একেবারে তিনবছরের জন্য রেসিডেন্স পার্মিট পাবেন যদি ভাগ্য খারাপ না থাকে। বারবার ভিসার ঝামেলা নাই। যারা পোটসডাম থেকে অফার পাইছেন তারা প্রথমে বার্লিনে বাসা নেওয়ার চেষ্টা করেন। সেখানে বাসা নিলে আপনিও তিন বছরের জন্য পার্মিট পাবেন।


শুভ কামনা সবার জন্য!



Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।