All types-ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা

প্রবাস জীবনের গল্পটা অনেকটা এই কবিতার মতো:

“কিছু মানুষের কষ্ট চোখ দিয়ে ঝরে কিছু মানুষের কষ্ট মেজাজ দিয়ে প্রকাশ করে কিছু মানুষের কষ্ট হৃদয়ের মাঝে শুকিয়ে মরে তবে কষ্টকে যারা প্রকাশ করতে না পারে, তারাই জীবনে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করে” (রেদোয়ান মাসুদ)

মানুষ একটু সুখের জন্য দেশ থেকে দেশান্তর ছুটে যায়। একটু সুখ ছুঁয়ে দেখতে কার না মন চায়। সুখের রং একেক জনের কাছে একেক রকম। কেউ টাকাতেই সুখ খোঁজে, কেউ ভালোবাসায় সুখ খোঁজে, কেউ একটু ভালো থাকতে সুখের পিছনে ছুটে, কেউ জীবনকে সহজ করার জন্য সুখের খোঁজে প্রবাসে পারি জমায়। এই প্রবাসে সব থাকার পরও একসময় জীবনের সবচেয়ে বড় আফছোস হয়ে যায়, পরিবারের সান্নিধ্য থেকে বহুদূরে থাকা।

ননইউরোপিয়ান ক্যাটাগরীতে বাংলাদেশ থেকে দুই ধরনের জার্মান ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা বর্তমানে চালু আছে। যেহেতু এই পেজ ও গ্রুপে প্রায় সবাই পড়াশুনা এবং চাকরির সাথে জড়িত। তাই আমি শুধু এক ক্যাটাগরির মানুষদের নিয়েই লিখছি। যাদের মধ্যে পরছে স্টুডেন্ট, চাকরিজীবী, Blue Card Holders এবং Passport Holders ।

1) স্টুডেন্ট ক্যাটাগরি

ফ্যামিলি রিইউনিয়ন ভিসা তে একজন স্টুডেন্ট যদি তার স্পাউস কে জার্মানিতে ঘুরতে নিয়ে আসতে চায় সে ক্ষেত্রে একজন সাধারণ স্টুডেন্ট এবং স্কলারশিপ হোল্ডার এর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। সাধারণ স্টুডেন্ট এর তুলনায় DAAD স্কলার্শিপ হোল্ডাররা এই প্রক্রিয়াটা তুলনামূলকভাবে সহজে করতে পারে। কারন DAAD সবসময়ই পরিবারকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এমনকি স্কলারশিপের পরিমান পরিবার আনার জন্য যথেষ্ট না হলেও, DAAD প্রয়োজনে ভিসা অফিসের সাথে যুদ্ধ করে হলেও ভিসার ব্যবস্থা করে - যদি কাগজপত্র ঠিক থাকে। তবে ছাত্রাবস্থায় কেবল স্পাউস আনা যতটা সহজ, বাচ্চা থাকলে বিষয়টা একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

a) ভিসার জন্য আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

একজন স্টুডেন্ট যদি তার স্পাউস কে জার্মানিতে ঘুরতে নিয়ে আসতে চায় সে ক্ষেত্রে, একজন স্টুডেন্টের অবশ্যই বৈধ ভিসা থাকতে হবে এবং আর্থিকভাবে সামর্থবান হতে হবে যাতে করে সে তার স্পাউস এর জার্মানিতে অবস্থানকালীন সমস্ত ব্যয় বহন করতে পারে। সে ক্ষেত্রে একজন স্টুডেন্টকে অবশ্যই তার স্পাউস এর জন্য ব্যাংকে ৮০০০ থেকে ১০০০০ ইউর ব্লক করতে হবে।

b) বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

- আপনার স্পউস যদি বাংলাদেশে চাকরি করে, তাহলে ভিসা পাওয়া টা তুলনামুলক সহজ হবে। সে ক্ষেত্রে অফিস থেকে no objection letter লাগবে এবং অফিস থেকে ছুটি সঙ্ক্রান্ত পেপারটি লাগবে।

- জন্মননিবন্ধন এর মেইন কপি সাথে দুইটি ফটোকপি।

- দুইটা জার্মান ফরমেটে পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ৬ মাসের বেশি পুরাতন হওয়া যাবে না।

- দুইটা অ্যাপ্লিকেশান ফর্ম পুরন করে এবং সাক্ষর করে জমা দিতে হবে।

- বৈধ পাসপোর্ট ও পাসপোর্টের দুইটা ফটোকপি।

- জার্মানিতে বসবাসরত স্পউসের বাসার রেজিস্ট্রেশান পেপারের ফটোকপি।

- কাবিন নামা (বাংলা এবং ইংরেজি) এবং ম্যারিজ সার্টিফিকেট

- বাসার চুক্তিনামা, যেখানে পরিবারের সবাই থাকতে পারবে। প্রতি জনের জন্য সিটি থেকে বলে দেয়া একটা নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, তার কম হলে ভিসা পাওয়া সম্ভব না।

- অর্থনৈতিক উৎসের প্রমান হিসাবে, জার্মানিতে বসবাসরত স্পউসের ব্লক অ্যাকাউন্ট এর পেপার।

- বাসার মালিক অথবা হস্টেলের অফিস থেকে NOC পেপার যেটা জার্মানিতে বসবাসরত স্পউস পাঠাবে।

- সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পেপার, সেটা হল জার্মানিতে বসবাসরত স্পউস তাঁরা বাংলাদেশে বসবাসরত স্পউসের জন্যে একটি আমন্ত্রন পত্র পাঠাবে। এই আমন্ত্রন পত্রটি জার্মানিতে বসবাসরত স্পউস একটি অফিস থেকে সংগ্রহ করবে। বিস্তারিত- https://service.berlin.de/dienstleistung/120691/?fbclid=IwAR0g6nPLdcP6sH5hSBOixA78NPGz3sVmbmx14_Lz76a8dWrTn6cKMVPvgig এই আমন্ত্রন পত্রটির মূল কপি ভিসা আবেদনের সময় জমা দিতে হবে।

c) ভিসার সাক্ষাত্কারের সময় যে সকল প্রশ্নের সন্মুখিন হতে হবে আপনার স্পউস কে

- আপনার Husband/Wife এর নাম কি?

- আপনার কবে বিয়ে হয়েছে?

- আপনার Husband/Wife এর দেশের বাড়ি কোথায়?

- আপনার Husband/Wife কবে জার্মানি গেছেন?

- আপনার Husband/Wife জার্মানির কোন শহরে থাকে?

- আপনার Husband/Wife জার্মানির কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছে?

- আপনার Husband/Wife কত দিন ধরে জার্মানি আছেন?

- আপনার Husband/Wife শেষ কবে বাংলাদেশে এসেছিলেন?

d) জার্মানিতে বসবাসরত স্বামী / স্ত্রীদের নিম্নলিখিত পেপারস প্রয়োজন হবে

বাংলাদেশে আপনার স্পউস এর ভিসা ইন্টারভিউ হয়ে যাবার পর, জার্মানিতে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে একটি লেটার এর। এই লেটার টি Landesamt für Bürger- und Ordnungsangelegenheiten নামক একটি অফিস থেকে আসবে। এই কারনে নিন্মাক্ত কাগজগুলো আপনাকে আগে থেকেই জোগাড় করে রাখতে হবে। এই কাগজ গুলো, ওই লেটার এ উল্লখিত ঠিকানাই পাঠিয়ে দিতে হবে।

- যে লেটার টি আসবে, সেটার কপি।

- আপনার পাসপোর্টের কপি।

- Block account paper যেটা ব্যাংক থেকে নিবেন

- বিশ্ববিদ্যালয়ের immatrikulation পেপার

- বাসার কন্টাক্ট পেপার এবং বাসার ভারা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ।

- বাসার রেজিস্ট্রেশান পেপার ।

- ইন্সুরেন্স থেকে একটি পেপার লাগবে, যেটাতে লিখা থাকবে যে আপনার কন্টাক্ট তাদের সাথে আছে।

- বাসার মালিক অথবা হস্টেলের অফিস থেকে NOC পেপার

e) জার্মান এম্বাসি বাংলাদেশ ও জার্মানিতে Auslanderbehorde আপনাকে যে ভাবে ভিসা কনফ্রাম করবে

উপরক্ত কাগজ গুলো পাঠিয়ে দেবার পরে, আপনি লক্ষ করবেন যে ওই লেটারের ডানপাশে একজন বেক্তির নাম উল্লেখ করা ছিল। আপনি চাইলে সেই বেক্তিকে একটি ইমেইল করতে পারেন। আপনি তাকে অনুরধ করতে পারেন, যেন ভিসা সংক্রান্ত কোন আপডেট যেন সে আপনাকে জানায়।

ভিসা ইন্টারভিউ এর দিন, আপনার স্পউস যে ইমেইল অ্যাড্রেস এম্বাসিতে দিয়ে আসবে, সেই ইমেইল এ ভিসা কনফার্ম ইমেইল আসবে। ইমেইল পাবার পরে, আপনার স্পউস কে ইন্সুরেন্স করতে হবে। এবং ভিসা নেবার জন্য এম্বাসিতে যাবার সময় ওই ইন্সুরেন্স পেপারটিও নিয়ে যেতে হবে।

f) ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সময়কাল

এই ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আবেদনকারীর জমাদেয়া সকল কাগজের উপরে। তবে অন্যান্য ভিসার তুলনায়, এই ভিসা প্রসেস হতে কম সময় লাগে। আনুমানিক ১৪ কর্ম দিবসের মধ্যে রেডি হয়ে যায়।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://dhaka.diplo.de/blob/2076262/05db07d7459c9a180b026073bbc0daad/2017-02-13-eu-fz-eea-data.pdf

2) চাকরিজীবী ক্যাটাগরি

যারা জার্মানীতে এসে পড়াশোনা করার পরে, স্টাডি অরিয়েন্টেড জব করছেন তারা মূলত এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। একজন জব হোল্ডার অবশ্যই তার স্পাউস কে জার্মানিতে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে অথবা আপনার সহিত আজীবন বসবাসের উদ্দেশ্য নিয়ে আসতে পারেন।

a) ভিসার জন্য আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা

একজন জব হোল্ডার অবশ্যই তার স্পাউস কে জার্মানিতে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে অথবা আপনার সহিত আজীবন বসবাসের উদ্দেশ্য নিয়ে আসতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে কিছু শর্ত প্রযোজ্য, শর্ত গুলোর মধ্যে এক নম্বর হচ্ছে আপনার অবশ্যই বৈধ জব-ভিসা থাকতে হবে এবং এমন একটি জব থাকতে হবে যেটার বেতন দিয়ে আপনি আপনার স্পাউস এর খরচ বহন করতে পারবেন, যেমন বাড়ি ভাড়া, ইন্সুরেন্সা, ইত্যাদি। সে ক্ষেত্রে ধরা যাক বাড়িভাড়ার যদি ৬০০ ইউর হয়, খাওয়া-দাওয়া অন্যান্য খরচ পার পারসন ৩০০ ইউর করে ধরে এবং আরো অন্যান্য খরচ পার পারসন ২০০ ইউর ধরে এই সব মিলিয়ে আপনার মাসিক ইনকাম নেট ১৬০০ থেকে ১৭০০ ইউর হতে হবে। তবে বাড়ি ভারা কম বা বেশি হলে নেট ইনকাম কম বা বেশি দেখাতে হতে পারে। আরেকটি শর্ত হচ্ছে আপনার অবশ্যই একটি বাসা থাকতে হবে আপনার নিজের নামে অথবা আপনি সাবলেট থাকতে পারবেন তবে সেই বাসার অথবা আপনার রুমের আয়তন অবশ্যই 26 স্কয়ার মিটারের বেশি হতে হবে।

b) বাংলাদেশ থেকে ভিসাআবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

- দুইটা অ্যাপ্লিকেশান ফর্ম পুরন করে এবং সাক্ষর করে জমা দিতে হবে।

- দুইটা জার্মান ফরমেটে পাসপোর্ট সাইজ ছবি। ৬ মাসের বেশি পুরাতন হওয়া যাবে না।

- বৈধ পাসপোর্ট ও পাসপোর্টের দুইটা ফটোকপি

- জন্ম নিবন্ধন ও জন্মনিবন্ধনের দুইটা ফটোকপি (অনলাইনে চেক করা যায় তেমন। অনলাইনে চেক করা না গেলে নতুন করে করতে হবে।)

- জার্মানিতে বসবাসরত স্পউসের বাসার রেজিস্ট্রেশান পেপারের ফটোকপি।

- জার্মানিতে বসবাসরত স্পউসের চাকরির কন্ট্রাক্ট এর ফটোকপি।

- কাবিন নামা (বাংলা এবং ইংরেজি) এবং ম্যারিজ সার্টিফিকেট , কাজী অফিসের ঠিকানা সহ।

- জার্মান ভাষা শিক্ষা সার্টিফিকেট, লেভেল Aজজ্জ

- বাসার চুক্তিনামা, যেখানে পরিবারের সবাই থাকতে পারবে। প্রতি জনের জন্য সিটি থেকে বলে দেয়া একটা নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, তার কম হলে ভিসা পাওয়া সম্ভব না। আমি এর আগে, আনুমানিক একটি পরিমাপ উল্লেখ করেছি।

- অর্থনৈতিক উৎসের প্রমান হিসাবে, জার্মানিতে বসবাসরত স্পউস এর বিগত ৬ মাস এর সেলারি স্টেটমেন্টের ফটোকপি।

- জার্মানিতে বসবাসরত স্পউসের সকল পুরাতন পাসপোর্ট ও চলমান পাসপোর্টের প্রতিটি পৃষ্ঠার ফটোকপি।

- প্রত্যেক স্পউস কে তার বাংলাদেশের স্থায়ী, অস্থায়ী ঠিকানা এবং কাজী অফিসের স্কেচ ম্যাপ জমা দিতে হবে। স্কেচ ম্যাপ অবশ্যই অনেক নিখুঁত হতে হবে। (কাজী অবশ্যই কনের এলাকার হতে হবে)

c) ভিসার সাক্ষাত্কারের সময় যে সকল প্রশ্নের সন্মুখিন হতে হবে আপনার স্পউস কে

- আপনার নাম কি?

- আপনার Husband/Wife এর নাম কি?

- আপনার কবে বিয়ে হয়েছে?

- আপনার Husband/Wife এর দেশের বাড়ি কোথায়?

- আপনার Husband/Wife কবে জার্মানি গেছেন?

- আপনার Husband/Wife জার্মানির কোন শহরে থাকে?

- আপনার Husband/Wife জার্মানির কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে?

- আপনার Husband/Wife কোন পেশায় কাজ করছেন?

- আপনার Husband/Wife কত দিন ধরে জার্মানি আছেন?

- আপনার Husband/Wife শেষ কবে বাংলাদেশে এসেছিলেন?

d) জার্মানিতে বসবাসরত স্বামী / স্ত্রীদের নিম্নলিখিত পেপারস প্রয়োজন হবে

বাংলাদেশে আপনার স্পউস এর ভিসা ইন্তেরভিএও হয়ে যাবার পর, জার্মানিতে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে একটি লেটার এর। এই লেটার টি Landesamt für Bürger- und Ordnungsangelegenheiten নামক একটি অফিস থেকে আসবে। এই কারনে নিন্মাক্ত কাগজগুলো আপনাকে আগে থেকেই জোগাড় করে রাখতে হবে। এক কাগজ গুলো, ওই লেটার এ উল্লখিত ঠিকানাই পাঠিয়ে দিতে হবে।

- যে লেটার টি আসবে, সেটার কপি।

- আপনার পাসপোর্টের কপি।

- আপনার অফিস থেকে Arbeitsbescheinigung নিতে হবে (কাগজ টি অবশ্যই ১৪ দিনের বেশি পুরাতন হওয়া যাবে না)।

- আপনার চাকরির কন্টাক্ট পেপার এবং বিগত ৬ মাসের সেলারি স্টেটমেন্ট ।

- পেনশন অফিস থেকে একটি পেপার লাগবে (Aktueller Rentenversicherungsverlauf) ।

- আপনার বাসার কন্টাক্ট পেপার এবং বাসার ভারা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ।

- আপনার বাসার রেজিস্ট্রেশান পেপার ।

- আপনার ইন্সুরেন্স থেকে একটি পেপার লাগবে, যেটাতে লিখা থাকবে যে আপনার কন্টাক্ট তাদের সাথে আছে।

e) জার্মান এম্বাসি বাংলাদেশ ও জার্মানিতে Auslanderbehorde আপনাকে যে ভাবে ভিসা কনফ্রাম করবে

উপরক্ত কাগজ গুলো পাঠিয়ে দেবার পরে, আপনি লক্ষ করবেন যে ওই লেটারের ডানপাশে একজন বেক্তির নাম উল্লেখ করা ছিল। আপনি চাইলে সেই বেক্তিকে একটি ইমেইল করতে পারেন। আপনি তাকে অনুরধ করতে পারেন, যেন ভিসা সংক্রান্ত কোন আপডেট যেন সে আপনাকে জানায়।

ভিসা হয়ে যাবার পরে, জার্মান এম্বাসি বাংলাদেশ আপনাকে একটি ইমেইলের মাধ্যমে জানাবে। এই ক্ষত্রে, ভিসা ইন্টারভিউ এর দিন আপনার স্পউস যে ইমেইল অ্যাড্রেস টি দিয়ে আসবে, সেই অ্যাড্রেসটিতেই জার্মান এম্বাসি আপনাকে ইমেইল করবে।

ইমেইল পাবার পরে, আপনার স্পউস কে ইন্সুরেন্স করতে হবে। তবে এই ক্ষত্রে আপনার স্পউস ইচ্ছা করলেই ১ মাস পরের ডেট দিয়ে ইন্সুরেন্স করতে পারে। এতে যে সুবিধাটা হবে সেটা হোল, ইন্সুরেন্স এর ডেট অনুযায়ী আপনার স্পউস এর ভিসা শুরু হবে। এতে করে আপনার স্পউস ইচ্ছা করলেই ভিসা নিশ্চিত হবার পরেও ১ মাস দেশে থেকে যেতে পারবে।

f) ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সময়কাল

এই ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আবেদনকারীর জমাদেয়া সকল কাগজের উপরে। তার পরেও আনুমানিক ১২ সপ্তাহ সময় লাগে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হতে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে কোন পেপার যদি ভুল হয়ে থাকে, অথবা আর কোন পেপার প্রয়োজন হয়, তখন ১২ সপ্তাহের বেশিও লাগতে পারে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://dhaka.diplo.de/blob/2076262/05db07d7459c9a180b026073bbc0daad/2017-02-13-eu-fz-eea-data.pdf

3) Blue card Holders ক্যাটাগরি

Blue card Holders দের স্পউসের ভিসা আবেদনের জন্য আলাদা কোন পেপার এর প্রয়োজন নেই। চাকরিজীবী ক্যাটাগরিতে যে সকল পেপারস উল্লেখ করা আছে সগুলই লাগবে, তবে Blue card Holders দের স্পউসের A1 জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ সার্টিফিকেট লাগবে না।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://dhaka.diplo.de/blob/2076262/05db07d7459c9a180b026073bbc0daad/2017-02-13-eu-fz-eea-data.pdf

4) German Passport Holders ক্যাটাগরি

German Passport Holders দের স্পউসের ভিসার জন্য আলাদা কোন পেপার এর প্রয়োজন নেই। চাকরিজীবী ক্যাটাগরিতে যে সকল পেপারস উল্লেখ করা আছে সগুলই লাগবে ।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://dhaka.diplo.de/blob/2076262/05db07d7459c9a180b026073bbc0daad/2017-02-13-eu-fz-eea-data.pdf





Writer: Torikul islam



Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।