ভিসা এপলিকেশন ফর্মে জার্মান এড্রেস কোনটা দিবো?

খুবই কমন একটা প্রশ্ন ভিসা এপলিকেন্টস এর।


জার্মানিতে যাবো, শুধু জার্মানি লিখে দিলেই তো হওয়ার কথা ছিলো, অথবা আপনি জার্মান এম্বাসিতে ভিসার জন্য আবেদন করছেন, ঠিকানাই বা দেওয়ার কী দরকার ছিলো!


আসুন জেনে নিই কেনো এড্রেস দিতে হবে!

আপনি যখন ভিসার জন্য আবেদন করবেন, আপনার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত জার্মান এম্বাসি ভিসা ইস্যু করেনা। আমরা সকলেই জানি জার্মানির ১৬ টা প্রদেশ আছে এবং প্রতিটি প্রদেশে ছোটবড় অনেক শহর আছে। প্রতিটি প্রদেশের/শহরের আলাদা আলাদা ইমিগ্রেশন অফিস আছে, এই ইমিগ্রেশন অফিসগুলো ভিসা ইস্যু করে থাকে। আপনার কাছ থেকে জার্মান এম্বাসি ঢাকা আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করে আপনি যেই শহরে যাবেন সেই শহরের ইমিগ্রেশন অফিসে পাঠাবে এবং তারা আপনার জন্য ভিসা ইস্যু করবে।


ইমিগ্রেশন অফিস ট্র‍্যাক করার জন্যই মূলত ভিসা এপলিকেশন ফর্মে জার্মান এড্রেস দেওয়া আবশ্যক।


তিনটা পসিবল এড্রেস আপনি দিতে পারেন।


১) হোটেল এড্রেস। যে শহরে যাবেন সে শহরে একটা হোটেলে সিট বুকিং করে হোটেল এড্রেস ব্যবহার করতে পারেন। এটাতে সমস্যা আছে। আপনি যাবেন এক প্রদেশে, হোটেল বুকিং করলেন আরেক প্রদেশে। এখানেই ঝামেলাটা হয়। যেমন বার্লিন থেকে পোটসডামের দূরত্ব মাত্র ২০ মিনিটের। কিন্তু দুইটা শহর দুই প্রদেশে। পোটসডাম ইউনিভার্সিটির জন্য আবেদন করলেন, কিন্তু হোটেল বুক করলেন বার্লিনে। যদিও বার্লিন পোটসডামে সমস্যা হয় না। কিন্তু অন্যান্য সিটি পাশাপাশি হলেও ভিন্ন প্রদেশ হওয়ার কারণে ভিসা প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। আমার জানামতে একজন হোটেল এড্রেস দিয়েছিলো, ভিসা অফিসার হোটেল এড্রেস কেটে ভার্সিটি এড্রেস লেখতে বলেছিলো। আর হোটেল বুক করাও একটা ঝামেলা। তাই এই অপশন স্কিপ করা ভাল।


২) ডর্ম এড্রেস। আপনি যদি ডর্মে সিট পেয়ে যান তবে অবশ্যই ডর্মের এড্রেস ইউজ করবেন। যদি ওয়েটিং লিস্টে থাকেন তবে এটা ব্যবহার না করাটা আমি প্রিফার করি। কারণ আপনি জানেন না কোন ডর্মে আপনাকে রুম দেওয়া হবে।


৩) ভার্সিটি এড্রেস। ভিসা আবেদন ফর্মে এড্রেস ইউজের জন্য সবথেকে ভাল অপশন আপনার কোর্স যেই ক্যাম্পাসে, এক্সাক্টলি সেই ক্যাম্পাসের এড্রেস ইউজ করেন। আমিও তাই করেছি। ভিসা অফিসারও এটা প্রিফার করে। আপনার মনে হতে পারে, ভার্সিটিতে গিয়ে আবার থাকবো কই? ভাই, আপনি জার্মানিতে এসে কই ঘুমাবেন এটা জানতে চাওয়া হয়নাই, চাওয়া হইছে কোন স্টেটে আসছেন সেটা। কোনো কনফিউশন ছাড়া, হোটেল বুকিং এর ঝামেলায় না গিয়ে চোখ বন্ধ করে ভার্সিটির এড্রেস ইউজ করেন।

একোমোডেশন পাওয়া টাফ তারা ভালভাবেই জানে। কিছু জিজ্ঞেস করলে বলবেন ডর্মে আবেদন করেছি, পরিচিত মানুষজন বাসা খোজতেছে, না পেলে পরে হোটেল বুক করবো। স্মার্টলি এন্সার করেন।


একমোডেশনের কনফার্মেশন এম্বাসিকে দেখানো মেন্ডেটরি না। আর ফ্রেন্ডের বাসার এড্রেস ইউজ করা যাবেনা।

প্যারা নেওয়ার দরকার নাই ৷




Picture: Interne

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।