রমজানে তুর্কিশ ইফতার

লিখেছেন Shahab U Ahmed



জার্মানি খ্রিস্টান প্রধান দেশ হলেও এখানে বিপুল সংখ্যক মুসলিমের বসবাস। বিশেষত পঞ্চাশ লক্ষেরও অধিক তুর্কিশ মুসলিম এখানে দীর্ঘকাল থেকেই বাস করে আসছে। সাথে আছে মদ্ধপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিমরাও। পবিত্র রমজানে বাংলাদেশের মত ফীল না হলেও দেশটিতে কয়েক হাজার মসজিদের উপস্থিতি আমাদের মত মুসলিমদের জন্যে আশীর্বাদ স্বরূপ। বিশেষত পশ্চিম জার্মানির প্রায় প্রতিটি তুর্কিশ মসজিদ রমজানের দিনগুলিতে ইফতারের আয়োজন করে থাকে। তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয় সাধারণত। এর মধ্যে রয়েছে- বিশেষ ধরণের ভাত, রুটি, গরু, মুরগি কিংবা ভেড়ার মাংসের সুপ্, মাংস ও ডালের তৈরী বিশেষ খাবার, নুডলস, সালাদ, খেজুর, মিষ্টান্ন, পানীয় ইত্যাদি। দীর্ঘ ১৭ ঘন্টা রোজা রাখার পর চমকপ্রদ ও সুস্বাদু সব খাবার সত্যিই আল্লাহর নেয়ামত। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, ইফতারে অংশগ্রহণ করার জন্যে প্রায় ২৫-৩০ টি মুসলিম দেশের রোজাদারগণ দূর দূরান্ত থেকে চলে আসে। অন্যদিকে, পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ও শিশুদের জন্যেও ইফতার এর সুন্দর ব্যবস্থাপনা সত্যিই চোখে পড়ার মত। প্রতিদিন ইফতার আয়োজনে তুর্কিশ কমিউনিটি প্রচুর অর্থ ব্যয় করে, সাথে পরিশ্রম তো আছেই । এছাড়া ইফতার এর পর ফ্রি তে চা পানেরও ব্যবস্থা আছে অনেক মসজিদে। বলে রাখা ভালো, প্রতিটি তুর্কিশ মসজিদ অত্যন্ত পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনের যাবতীয় কর্মকান্ড মোটামুটি মসজিদ ভিত্তিক। সবমিলে রোজার দিনগুলোতে মসজিদকেন্দ্রিক ইফতার মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধিতে অসামান্য ভূমিকা রেখে চলছে। বি:দ্রঃ সম্প্রতি ইফতার করতে গিয়েছিলাম পশ্চিম জার্মানির সুন্দর শহর বখুমে (Bochum)। ওখানেই তুর্কিশ মসজিদ থেকে ছবিগুলো তোলা।







এই লেখা পড়ার পরে কোন প্রশ্ন থাকলে বা মতামত দিতে চাইলে অথবা কাউকে ট্যাগ করতে চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ থেকে করতে পারেন

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।