রিয়াজ উদ্দিন রাজু এর অভিজ্ঞতা..!!

লিখেছেনঃ রিয়াজ উদ্দিন রাজু

আমি জার্মানিতে আছি প্রায় বছরখানেক ঘনাইলো। অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা শেয়ার করছি, যেগুলা সবার সাথে মিলবে বিষয়টা ঠিক এমনও না :)

জার্মানি কিংবা অন্যান্য ফরেইন দেশে আসা স্টুডেন্টদের মোটামোটি ৩ টা ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়ঃ

১। যারা পাশ করে দেশে ফিরে যেতে ডিজায়ারড জব ফিল্ড অথবা অন্য কোনো ফিল্ডে জব-ব্যবসা করতে চায়,

২। পাশ করে এরপরে সাবজেক্ট রিলেটেড জব করতে চায়,

৩। পাশপুশ এগাল। থেকে যাওয়াটাই লক্ষ্য।

যাদের লক্ষ্য ২, তাদের ল্যাঙ্গুয়েজ এবং স্কিলস প্রয়োজন। যাদের লক্ষ্য ৩, তাদের ল্যাঙ্গুয়েজ মাস্ট। যাদের লক্ষ্য ১, তারা মোটামুটি ইদার জব সার্চ অর নিজের কনভেনিয়েন্স অনুযায়ী যেকোনো জায়গায় চলে যান কন্সিডারিং সারকামস্ট্যান্সেস।


মোর অর লেস যেটা দেখসি, আমরা বেশীরভাগই লংটার্ম প্লান না করে (আমি নিজেও) জাস্ট কিছু শর্টটার্ম বেনেফিটের কথা চিন্তা করে চলে আসি। অন দ্যা কন্ট্রারি চাইনিজ-আফ্রিকান বেশ কিছু স্টুডেন্টসদের দেখসি তারা মোটামুটি ২-৩ বছর আগে প্লানিং করে, একরডিংলি স্কিলস একুয়ার করে (যেমন ভাষা শিখা) এরপরে চলে আসে। যারাই আসার প্লান করতেসেন, অন্তত ১ বছর ধৈর্য ধরে বি২ পাস কইরা আসেন।


এরপরে আসে আপনার বিষয়ভিত্তিক স্কিলস যেটা সাবজেক্টভেদে ভ্যারি করে, সেগুলো ভালোভাবে জেনে অর্জন করে এরপরেই ওয়েস্টার্ন কান্ট্রিতে স্টাডি করতে আসা উচিত। এই দেশে আসলে একলা সাইমাল্ট্যানিয়াস্লি অনেক কিছু সামাল দেয়া লাগে যেগুলার জন্য আসল কাজ পড়াশুনা এবং স্কিল অর্জন করাটাই কঠিন কাজ হয়ে উঠে। তাই যত বেশী নিজেকে যোগ্য করে আসবেন, তত বেশী নিজেকে ইন্টিগ্রেট করতে পারবেন।

আরেকটা ইস্যু হলো সাইকোলোজিক্যাল ইস্যু। আমি দেশে থাকার সময়ে ৭ মাস ডেলি ৩-৪ ঘন্টা এভারেজ ল্যাঙ্গুয়েজ পড়তাম, এখানে আসার পর থেকে সাইমাল্ট্যানিয়াস্লি অনেক কাজের পেড়া এবং দেশত্যাগের (পড়ুন দেহত্যাগ) বেদনা থেকে 'মন বসেনা পড়ার টেবিলে' টাইপ দশা হইসে আমার :D

তাই যারাই আসবেন কিংবা আসার প্লান করছেন, এই ইস্যুগুলো কন্সিডার করেই আগাবেন। বেস্ট অফ লাক ফর দোজ হু আর প্লানিং টু স্টাডি হিয়ার

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।