IELTS Last Minute Preparation





লিখেছেন Kawsar Ul Hoq

Bonn, Germany

IELTS: 7.5 (L-8.5, R-7.5, W-6.5, S-7)

Exam: October 13, 2018.


হাতে সময় যাদের একেবারে কম, শেষ মুহুর্তে IELTS প্রস্তুতি নিবেন যেভাবেঃ

Listening

যে ধরণের প্রশ্নগুলোতে বেশি ভুল হচ্ছে শুধুমাত্র সেগুলো প্র্যাক্টিস করুন। যেমন, MCQ, MAP, SECTION 4 এ ভুলের সংখ্যা বেশি হলে পুরো টেস্ট না নিয়ে প্রত্যেকটা টেস্টের ঐ পার্টটুকুই প্র্যাক্টিস করুন। MCQ তে অল্পকথায় (কি-ওয়ার্ড) প্রশ্নে কি জানতে চাচ্ছে সেটা মনে রাখুন এবং অডিও শুরু হওয়ার আগে অপশনগুলো পড়ে নিন । অডিওতে সব অপশনের কথাই বলবে। লক্ষ্য রাখবেন অন্য অপশনগুলো কিভাবে বাদ দিচ্ছে। তাহলে সঠিক অপশন খুঁজে পাওয়া সহজ হবে। MAP এর ক্ষেত্রে প্রথমে পুরো ম্যাপের কোথায় কী আছে (School, Museum, Library, Bank) রাস্তার নামসহ ভালভাবে দেখে নিন। তাহলে অডিও শুনে সহজে উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে। যেমন ধরুন অডিওতে বলল “the car parking is opposite to the museum” আপনি জানেন মিউজিয়াম কোথায়, তার বিপরীত পাশের অপশনটি উত্তর হবে। ন্যাভিগেশনের জন্য নিজেকে ম্যাপের মাঝে কল্পনা করবেন। ডানে যেতে বললে কল্পনায় ডানে মোড় নিবেন, বামে বললে বামে। তাহলে ডান-বামের ভুলের সম্ভাবনা কমে যাবে।

লিসেনিংএ প্রশ্ন পড়ে মিসিং ইনফরমেশন কী সেটা অনুমান করুন এবং অডিওতে সেটা শোনার অপেক্ষায় থাকুন। Fill in the Gaps এ এক্সট্রা এটেনশন দিতে হবে। এক্ষেত্রে Plural (s, es) বলছে কিনা, Article (A, An, The) আছে কিনা এবং মোস্ট ইম্পরটেন্টলি Spelling নিয়ে কেয়ারফুল হতে হবে। স্পেলিং মিস্টেক এড়াতে কমন ওয়ার্ডগুলোর বানান মুখস্ত করে ফেলুন। ক্যামব্রিজ লিসনিং টেস্টের সব আনসার একত্রিত করে ১২০০ ওয়ার্ডের একটা লিস্ট আছে, ওটা পড়ুন। Silly Mistake এড়ানোর চেষ্টা করুন, স্কোর বাড়বে। Reading: T,F,NG; Gaps, Short question, MCQ প্যাসেজের ক্রমানুসারে থাকে। তাই যেকোন একটি প্রশ্ন লোকেট করতে পারলে বাকিগুলো সহজে উত্তর করা যায়। আপনি ৩ নং প্রশ্ন লোকেট করতে পারলে ধরে নিবেন ১ ও ২ এর উত্তর এর উপরে আছে এবং ৪, ৫, ৬ এর পরে। এই ধরণের প্রশ্ন সাধরণত প্রথম প্যাসেজে বেশি থাকে। প্রথম প্যাসেজে সাধারণত ফ্যাক্টচুয়াল ইনফরমেশন থাকে এবং এটি তুলনামূলক সহজ। তাই ১২-১৫ মিনিটে আনসার করার চেষ্টা করুন। বাকী প্যাসেজগুলোতে প্রথমে পুরো প্যাসেজের প্রত্যেক প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন পড়ে নিন। প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন পড়ে সাধারণত সেই প্যারাগ্রাফে কী লিখেছে কিছুটা আন্দাজ করা যায়। এভাবে পড়লে পুরো প্যাসেজ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যাবে। কোন ইনফরমেশন কোন প্যারাতে থাকতে পারে সেটা অনুমান করা যাবে। এরপর প্রশ্নগুলো পড়ে প্যাসেজ থেকে উত্তর খুঁজে নিতে হবে। রিডিং এর ক্ষেত্রেও যে ধরণের প্রশ্নে বেশি সমস্যা হয় শুধুমাত্র সেগুলো প্র্যাক্টিস করুন। T,F,NG আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর উপর নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে নিজেকে ২ টি প্রশ্ন করবেন। প্যাসেজে যা বলা হয়েছে, প্রশ্নে কি তার বিপরীত কিছু বলছে? বলে থাকলে False হবে। প্যাসেজে ঐ সম্পর্কিত কোন ইনফরমেশন আছে কিনা? যদি না থাকলে NG হবে। এই দুইটার বাইরে সব True। এই ভিডিও T, F, NG এর কনফিউশন ক্লিয়ার করবে আশাকরি। Matching Headings এর ক্ষেত্রে প্রথম প্যারাগ্রাফের ১ম দুই সেন্টেন্স ও শেষের দুই সেন্টেন্স পড়ে ঐ প্যারাগ্রাফের মূলভাব বোঝার চেষ্টা করুন। প্রথম সেন্টেন্সটি সাধারণত টপিক সেন্টেন্স এবং ঐ প্যারাগ্রাফে কী নিয়ে কথা বলা হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটার উল্লেখ থাকে। টপিক সেন্টেন্সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অথবা আর্গু করে উপসংহারমূলক শেষ সেন্টেন্সটি লেখা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শেষে এসে মুলভাব পালটে যেতে পারে, এটা লক্ষ্য রাখতে হবে। এই চার বাক্য পড়ে বুঝার চেষ্টা করবেন ঐ প্যারাগ্রাফে আসলে কোন বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছে। এরপর লিস্ট অফ হেডিংস পড়ুন। যেটা যেটা একেবারে ম্যাচ করেনা, সেটা ইলিমিনেট করুন। যেটা ম্যাচ করে ওটা সিলেক্ট করুন। এভাবে পরের প্যারাগ্রাফগুলো পড়ে পরের গুলো ম্যাচ করুন। Locating information type questions গুলো প্যাসেজের ধারাবাহিকতা অনুসারে আসেনা। প্রথম প্রশ্নের উত্তর প্যারাগ্রাফ D তে পেলে পরবর্তি প্রশ্নের উত্তর A তে থাকতে পাবে। এক্ষেত্রে বেস্ট এপ্রোচ হচ্ছে প্রথমে প্যাসেজ পড়ে ফেলা। পুরো প্যাসেজ না পড়ে প্রতিটা প্যারাগ্রাফের শুধুমাত্র প্রথম লাইন পড়বেন। এভাবে পুরো প্যাসেজ পড়তে সময় লাগবে আনুমানিক ২ মিনিট এবং প্যাসেজের কোথায় কোন ইনফরমেশন থাকতে পারে সে বিষয়ে একটা সাধারণ ধারণা হবে। এরপর সবগুলো প্রশ্ন, ৫-৬ টা যা থাকে, পড়ে নিন। যে প্রশ্নটার ইনফরমেশন আপনার কাছে পরিচিত মনে হচ্ছে, অর্থাৎ যে প্রশ্নের ইনফরমেশন কোন প্যারাগ্রাফে আছে সহজে লোকেট করতে পারছেন সেটা প্রথমে সলভ করুন। এভাবে বাকী প্রশ্নগুলো উত্তর করুন। আশাকরি এই স্ট্রাটেজি কাজে দিবে। Speaking: রিসেন্ট এক্সাম টপিকগুলোর উপর ভালভাবে প্রস্তুতি নিন। এতে কমন পড়ার সম্ভাবনা অনেক। একটা প্রশ্নের উত্তরে কি বলবেন, আগে থেকে গুছিয়ে নিন। অতি সাধারণ শব্দের পরিবর্তে স্টান্ডার্ড শব্দ ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। যেমন, Rain এর জায়গায় precipitation; Cold air এর পরিবর্তে cold breeze; Traffic jam এর পরিবর্তে Traffic congestion বলতে পারেন। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলেই স্পিকিংএ ভাল স্কোর পাওয়া যায় না। আপনি কত ভালভাবে প্রেজেন্ট করছেন সেটার উপর ভাল স্কোর নির্ভর করে। ব্যালেন্সিং সেন্টেন্স ইউস করার চেষ্টা করবেন। Although, however, but, and, passive sentence, conditional sentences ইউস করতে পারলে স্কোর ভাল আসবে। IELTS Speaking exam হলো একটা প্রেজেন্টেশন; শুধু কোয়ালিটি ইনফরমেশন দিলেই হবে না, ভাল স্কোর পেতে প্রেজেন্টেশন কোইয়ালিটিফুল হতে হবে। উত্তর করার সময় What> Where> Why> How> personal experience এই সিকুয়েন্স অনুসারে আনসার করলে উত্তর গোছানো ও স্টান্ডার্ড হবে এবং ২ মিনিট কথা বলার যথেষ্ট ইনফরমেশন পাবেন। যেমন, Cuecard topic: Describe a resturant that you visit often. এক্ষেত্রে প্রথমে রেস্টুরেন্টের নাম, লোকেশন, ওখানে কেন খেতে যান (Reasonable price, Delicious food, spectacular decoration) বললেন। এরপর ঐ রেস্টুরেন্ট নিয়ে আপনার এক্সপেরিয়েন্স বলবেন; ওটা নিয়ে রিভিউ লিখলে, বা কাউকে সাজেস্ট করার সময় যে কথাগুলো বলতেন, সেটাই বলবেন। Writing: Task 1 এর ভাল প্রস্তুতির জন্য ieltsliz আনসারগুলো ভালভাবে আত্মস্থ করুন। স্ট্রাকচার, প্যাটার্ন, ডাটা প্রেজেন্টেশন কপি করার চেষ্টা করুন। টাস্ক ২ এর জন্য বেশি বেশি স্যাম্পল আনসার পড়ুন, আইডিয়া জেনারেট হবে। যত ভাল ও দ্রুত আইডিয়া জেনারেট করতে পারবেন, লেখার মান তত ভাল হবে। একটা প্রশ্নের উত্তরে কি কি লিখবেন, কিভাবে লিখবেন সেটা প্ল্যানিং করুন। প্রশ্ন দেখে বেশি বেশি প্ল্যানিং প্র্যাকটিস করুন। ভাল মানের স্যাম্পল আনসার গুলোর বাক্যের গঠন, স্টাইল নিজের লেখায় কপি করার চেষ্টা করুন। লেখার মান বাড়বে। শুভকামনা সকল IELTS পরীক্ষার্থীর জন্য।


এই লেখা পড়ার পরে কোন প্রশ্ন থাকলে বা মতামত দিতে চাইলে অথবা কাউকে ট্যাগ করতে চাইলে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ থেকে করতে পারেন

Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।