বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যে কাজগুলো করতে হবে


উচ্চশিক্ষার ধাপ নিয়ে অনেক আর্টিকেল পাবেন আগের অনেক বড়দের লিখায়। তবুও আমি আমার প্রেক্ষাপট থেকে আবার বলার চেষ্টা করব খুব ছোট করে।


১। যারা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ব্যাচেলর শেষের দিকে তারা একটু আই ই এল টি এস এর বই গুলো দেখা শুরু করুন। শুধু চোখ বুলিয়ে যান । তাহলে দেখবেন ব্যাচেলর শেষ হতেই অনেকটা প্রস্তুতি হয়ে গেসে।


২। ইউনি এসিস্টে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে নিন। সাথে ইউরোপাস এ খুলে নিলে খারাপ কি। ইউরোপাসে আস্তে আস্তে একটা সিভি তৈরি করে ফেলুন।


৩। ব্যাচেলর শেষ হতেই পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়ে আই ই এল টি এস দিয়ে নিন যদি জব করার ইচ্ছা না থাকে।


৪। এবার আসি প্রোগ্রাম খোঁজাখুজিতে। প্রস্তুতির ফাঁকে ফাঁকে আপনি ডাড ওয়েবসাইটে চোখ বুলাতে থাকুন। তবে গ্রুপের ফাইল সেকসনে শ’খানেক প্রোগ্রাম পেয়ে যাবেন বিভিন্ন ব্যাকগ্রউন্ডের। এ নিয়ে আমার কয়েকটি ফাইল করা আছে বিভিন্ন ব্যাকগ্রউন্ডের। । সেগুলো দেখে নিন।


৫। এবার আপনার সাথে যায় এমন প্রোগ্রাম গুলো শর্টলিস্টেড করে নিন । ডেডলাইন, রিকয়ারমেন্ট গুলো নোট করে রাখুন।


৬। এরপরের কাজ হবে আপনার যত ডকুমেন্ট আছে সেগুলো গুছিয়ে নেয়া। একদিন সময় জার্মান এম্বাসি চলে যান। সত্যায়িত করার জন্য দিয়ে আসুন। আর এম্বাসিতে ডকুমেন্ট দিয়ে যদি ওয়েট করার ইচ্ছা না থাকে তাহলে নোটারী পাব্লিক থেকে সত্যায়িত করে নিন ।


৭। এবার আপনার এপ্লাই করার পালা। ডিরেক্ট অ্যাপ্লিকেশান গুলো করে ফেলুন আগে। তারপর ইউনি এসিস্টে এপ্লাই করে ফেলুন। পেমেন্ট করার জন্য কোন একটা ডুয়েল কারেনসি কার্ড নিয়ে নিন ব্যাংক থেকে । আর হ্যাঁ ইউনি এসিস্টে ডকুমেন্ট পাঠাতে ভুলবেন না । ডি এইচ ব্রাঞ্চে গিয়ে কাজটা দ্রুত করে ফেলতে পারেন।


৮। এবার আপনার ধর্যের পালা । ১ মাসের মধ্যে ডিসিসন পেয়ে যেতে শুরু করবেন । তবু যদি না পান আশা রাখুন হতাশ হবেন না । অনেক ইউনিভার্সিটি ডিসিসন দিতে একটু দেরি করে। তাই ধর্য রাখুন ।


এর পরের ধাপ গুলো নিয়ে আর একদিন লিখলাম নাহয়। ভালো থাকবেন সবাই ।


লিখেছেনঃ নীরব শোভন



Subscribe to Our Newsletter

© BESSiG. বিনা অনুমতিতে এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অন্য যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।